বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং স্পেনের আন্তর্জাতিক সংস্থা EPTISA-এর সহায়তায় নোয়াখালী পৌরসভা ও গবেষণা জরিপ ও সেবা সংস্থার উদ্যোগে “স্থানীয় সরকার — পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন উন্নয়ন প্রকল্প” (LGCRRP) কোভিড-১৯ রিস্পন্স ও রিকভারি প্রজেক্ট বাস্তবায়নে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
তারিখ: সোমবার, ১৮/০৮/২০২৫
স্থান: নোয়াখালী পৌরসভা অডিটোরিয়াম
মূল আলোচনা ও প্রস্তাবনা
নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব বিলাল আহমদ খান এই প্রকল্পের অধীনে আটটি অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেন:
১. পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ: পৌরসভার বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
২. জলাবদ্ধতা নিরসন: বর্ষা মৌসুমে শহরে জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
৩. টেকসই কংক্রিটের রাস্তা তৈরি: উন্নত ও দীর্ঘস্থায়ী কংক্রিটের সড়ক নির্মাণ।
৪. উন্নত ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক: পানি নিষ্কাশনের জন্য আধুনিক ও উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা স্থাপন।
৫. স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা।
৬. বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহার ব্যবস্থাপনা: বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।
৭. নবায়নযোগ্য জ্বালানি: পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো।
৮. বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন: আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা।
পরিবেশগত গুরুত্ব
গবেষণা জরিপ ও সেবা সংস্থার (ARSS) সেক্রেটারি জেনারেল ডা. মোঃ শাহাদাত হোসেন নোয়াখালী পৌরসভা এবং এর আশেপাশে পানি, বায়ু ও শব্দ দূষণের গুরুতর অবস্থার কথা তুলে ধরেন। তিনি এই প্রকল্পের মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
এই কর্মশালায় নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী, EPTISA-এর প্রোগ্রাম প্রতিনিধি দল এবং ARSS-এর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যেমন ড্রিম লাইট, কুহক, নতুন রূপে নোয়াখালী এবং পরিচ্ছন্ন নোয়াখালী-এর প্রতিনিধিরাও কর্মশালায় অংশ নেন।
